1. [email protected] : Hasan Mahmud Ripon : Hasan Mahmud Ripon
  2. [email protected] : AR Rahman : A R Rahman
শ্যালকের বউ অপহরণ মামলায় ২০ বছর কারাদণ্ড | News Bangladesh 24
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

শ্যালকের বউ অপহরণ মামলায় ২০ বছর কারাদণ্ড

তালতলী(বরগুনা)সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১১২৫ টাইম ভিউ
শ্যালকের বউ অপহরণ মামলায় ২০ বছর কারাদণ্ড
শ্যালকের বউ অপহরণ মামলায় ২০ বছর কারাদণ্ড

শ্যালকের বউকে অপহরণ মামলায় দুলাভাইকে ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া অপর সাতজনকে ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও তিন মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

সোমবার সকালে ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় ৭ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিল। আসামি মিরাজ পলাতক।

বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সহকারী পিপি জানান, বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলার ছোট টেংরা গ্রামের নুরুল হকের ছেলে জাকির হাচান বাদী হয়ে ওই ট্রাইব্যুনাল ২০১২ সালের ১৭ মে আটজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।

আসামিরা হলো, বড় টেংরা গ্রামের মতিয়ার রহমান সরদারের ছেলে বাদীর দুলা ভাই শাহ আলম (৪৫), শাহ আলমের সহযোগী আউয়াল গাজীর ছেলে আজিজুল হক হানিফ গাজী (৪৭), এনছান জোমাদ্দারের ছেলে হারুণ জোমাদ্দার(৪৬), আবুল কালামের ছেলে রাসেল (৩০), হাবিব সরদারের ছেলে মিরাজ (৩৭), তানজের আলীর ছেলে আবুল কালাম (৪০), হোসেন আলীর ছেলে হাফিজুর রহমান (৪০) ও ইউসুফ আকনের ছেলে ওচমান (৩৮)।

মামলার বাদী জাকির হাচান বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ করেন, তার স্ত্রী ফাতেমা বেগমকে তার দুলাভাই শাহ আলম ও তার সহযোগীরা ওই বছরের ১০ মে বাদীর বাড়ির সামনে থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। ফাতেমা বেগমকে তার স্বামী কোথাও না পেয়ে ট্রাইব্যুনালে ওই ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা পাথরঘাটা থানার এসআই আবদুস সত্তার ওই বছরের ৩০ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে এ রায় প্রদান করেন।

বাদী বলেন, আমার দুলা ভাই শাহ আলম আমার স্ত্রীকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। আমার স্ত্রীকে দিয়ে আমাকে তালাক দিয়ে দুলাভাই বিয়ে করে।

আদালতের বারান্দায় শাহ আলম বলেন, ফাতেমা স্বেচ্ছায় আমার সঙ্গে গিয়েছে। আমরা এখন স্বামী-স্ত্রী। আমাদের দুইটি সন্তান আছে।আমাদের অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে। আমরা হাইকোর্টে আপিল করব।

বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের এ পিপি আশরাফুল আলম বলেন, এটি যুগান্তকারী রায়। দুলাভাই হয়ে শ্যালকের বউকে অপহরণ করে জোর করে বিয়ে করেছে। এই রায়ে অন্যরা শিখবে। অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হয়।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
© All rights reserved © 2020 newsbangladesh24.net
Theme Developed BY ThemesBazar.Com